ভালোবাসা কারে কয়

0
Want create site? Find Free WordPress Themes and plugins.

অভিজিৎ রায়

প্রেম-ভালোবাসা সম্পর্কে অধিকাংশ মানুষের জ্ঞান সাহিত্য-সিনেমা কিংবা অভিজ্ঞতা নির্ভর। কেউ কেউ এর সাথে যৌনতার ফ্রয়েডীয় প্রাক-বৈজ্ঞানিক কল্পনানির্ভর তত্ত্ব জুড়ে এক ধরনের যুক্তিও দেয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য থাকা সত্ত্বেও অন্যসব প্রাণিদের মতো মানুষ যেমন ক্ষুধা-ভয়- স্নেহ ও নিরাপত্তাবোধের মতো বিষয়গুলোতে বিবর্তন-প্রভাবিত প্রাচীন আচরণ করে; তেমনি করে বংশ-বিস্তারের ক্ষেত্রেও। আর যেকোনো প্রাণীর বংশবিস্তারের প্রস্তুতিটাই হলো বিপরীত লিংঙ্গের প্রতি আকর্ষণ কিংবা সম্পৃক্ততার তাড়না। যাকে মানুষের ক্ষেত্রে বলা হয় ভালোবাসা কিংবা প্রেম…

ভালোবাসা প্রভাবিত হয় ব্যক্তির মানব-প্রকৃতি দ্বারা। আর মানব-প্রকৃতি গঠনে পরিবেশ থেকেও বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখে জিন বা বংশাণু। মানবপ্রকৃতি গঠনে পরিবেশের ভূমিকা সম্পর্কে সবাই কিছু না কিছু ধারণা রাখলেও বংশাণুর ভূমিকা বেশিরভাগের কাছেই অজ্ঞাত। মানব-প্রকৃতি গঠনে এই জ্ঞাত আর অজ্ঞাত বিষয়গুলোকে বিজ্ঞানের যে শাখাটি একসাথে আলোচনা করে তা হলো- বিবর্তনীয় মনোবিজ্ঞান; যা বিবর্তনীয় জীববিজ্ঞান আর বৌদ্ধিক মনোবিজ্ঞানের সমন্বয়ে তৈরি তুলনামূলক নতুন একটি শাখা…

অভিজিৎ রায়ের ‘ভালোবাসা কারে কয়’ বইটি সাবলীলভাবে বিবর্তনীয় মনোবিজ্ঞানের বিষয়গুলো নিয়ে যেমন আলোচনা করেছে; তেমনি প্রেম-ভালোবাসা সংক্রান্ত আচরণে বিবর্তনের প্রভাব নিয়েও আলোচনা করেছে খুবই প্রাঞ্জল ভাষায়। যাদের বিবর্তন সম্পর্কে পূর্ব ধারণা নেই তারা যেমন এই বইটি পড়ে সহজে বুঝতে পারবেন; তেমনি প্রেম সম্পর্কে যাদের নিজস্ব কোনো দৃষ্টিভঙ্গী নেই তারাও বুঝে নিতে পারবেন প্রেমের বিজ্ঞান…

Did you find apk for android? You can find new Free Android Games and apps.
Share.

About Author

Leave A Reply