Opinion

  • বাকস্বাধীনতা, মানবীয় কর্তাসত্তা এবং বাংলাদেশের সংবিধান | সারোয়ার তুষার

    বাংলাদেশ এক নজিরবিহীন কঠিন সময় পার করছে। সরকারের বিপদজনক সিদ্ধান্ত এবং পদ্ধতিগত সিদ্ধান্তহীনতার ফলে বাংলাদেশের মানুষ আজ এক ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখোমুখি। তাদের জীবন-জীবিকা-মর্যাদা এক প্রচন্ড শ্বাসরোধী শাসনপ্রণালীর কাছে জিম্মি হয়ে আছে। প্রতিদিনই পত্রিকার পাতায় অক্সিজেন-আইসিইউ-টেস্টিং এর জন্য হাহাকার দেখতে পাচ্ছি আমরা। হাসপাতালের সামনে আক্রান্ত মানুষের মুখ থুবড়ে পড়ে থাকার ছবি ভাইরাল হতে দেখছি আমরা। অন্যদিকে মানুষকে ন্যূনতম স্বাস্থ্যসুরক্ষা দিতে ব্যর্থ রাষ্ট্রের অন্য চেহারাও দেখছি। সেই চেহারা অত্যন্ত বীভৎস। করোনা মহামারি সংক্রমণের পর থেকে মানুষকে স্বাস্থ্য-জীবিকা সহ নিরাপদ রাখতে ব্যর্থ রাষ্ট্রের প্রতি সঙ্গত ক্ষোভ জানাতে গিয়ে নানামুখী নিপীড়ন আর রোষানলের শিকার হচ্ছে বাংলাদেশের নাগরিক। তাদের উপর চালানো হচ্ছে মামলা গ্রেফতার এমনকি গুমের মতো  স্টিমরোলার। সরকারের দুর্নীতির খবর প্রকাশ করায় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা করা হচ্ছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে এবং তাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। ফেসবুকে সরকার সমালোচনাকে 'অপরাধ' হিশেবে সাব্যস্ত করে ইতোমধ্যেই...

  • বাউল শরিয়ত, শালীনতা ও নৈতিকতায় বন্দী বাকস্বাধীনতা, এবং সংবিধান | সহুল আহমদ

    অপরাধে জড়িত বলেই বাউল শরিয়তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জানুয়ারি ২২, ২০২০

      প্রায় ছয় মাস যাবত বাউল শরিয়ত সরকার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে জেলে বন্দী আছেন। সংবাদমাধ্যমের মারফতে জানা যাচ্ছে, বাউলের পরিবার এই করোনাকালে যেমন আর্থিক সঙ্কটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তেমনি বিভিন্ন মহলের ক্রমাগত হুমকি-ধামকির মধ্যে দিনযাপন করতে হচ্ছে। তারা এই মামলার খরচ টানতেও হিমশিম খাচ্ছেন।   উল্লেখ্য, ৯ জানুয়ারি (২০২০) তারিখে বাউল শরিয়ত সরকারের বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে মামলা করা হয়; ১১ জানুয়ারি ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে মির্জাপুর থানা পুলিশ; এবং ১৪ জানুয়ারি তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেয়া হয়। বাউলের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে; বলা হয়েছে যে,  বাউল বলেছিলেন, গান-বাজনা হারাম বলে ইসলাম ধর্মে কোনো উল্লেখ নেই। কেউ প্রমাণ দিলে তিনি গান ছেড়ে দেবেন। এমন বক্তব্য শুনেই বাদী...

  • গুমতত্ত্ব ও গুম-তথ্য বনাম তথ্যমন্ত্রীর আত্মপক্ষ | ঈয়ন

    লাশের আশায় না থেকে বাজান

    নিশ্চিন্তে গায়েবী জানাযা পড়ান

      ইস্যু - দ্রুত বদলায় দুম করে হলে গুম ফেরে না কোনো সন্তান র‌্যাপিড এ যমানায়   বছর ছয়েক আগের লেখা, গাধার গয়না পরম্পরার। প্রিয় পাঠক, কমপক্ষে তিন বছর আগে গ্রন্থবদ্ধ হওয়া এই কথাগুলো দিয়ে লেখাটি শুরু করার কারণ একটু আগালেই বুঝতে পারবেন। এবার সাম্প্রতিক সময়ে ফিরি। এটা কোভিড-১৯ মহামারীর কাল, সাল ২০২০। জুনের শেষ সপ্তাহে বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ক্ষমতায় থাকাকালে বছরে ৩১৭ জনের বেশি ক্রসফায়ারে নিহত বা গুম হয়েছেন। একই পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এই সংখ্যা ১৮৭।   মূলত বিএনপির নেতা রুহুল কবির রিজভী আহমেদের সাম্প্রতিক মন্তব্য, ‘ক্রসফায়ার-গুম-খুনে রাষ্ট্র অমানবিক হয়ে উঠছে,’ সম্পর্কে অভিমত জানাচ্ছিলেন ড. হাছান। তিনি দাবি করেন, “আমাদের দল কোনো ধরনের বিচারবহির্ভূত...

  • করোনা; যেভাবে বদলে দিচ্ছে পৃথিবী | নাদিয়া ইসলাম

    করোনা ভাইরাস প্যানডেমিকের মত ঘটনা আধুনিক পুঁজিবাদী পৃথিবী এর আগে কখনো দেখে নাই।   খুব অল্প সময়ে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ভাবে হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানি, বেকারত্ব বৃদ্ধি, গ্লোবাল অর্থনীতিতে ধ্বস নামা- এইসব শুধুই টিপ অভ দ্যা আইসবার্গ   আমি যখন এই লেখা লিখছি, তখন মাত্র কোভিড-১৯ এর ফার্স্ট ওয়েভ বা প্রথম ধাক্কা শেষ হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আর কিছুদিনের মধ্যেই এর সেকেন্ড ওয়েভ শুরু হতে যাচ্ছে, যার আফটার ইফেক্ট আরও ভয়ংকর হওয়ার কথা। তারা বলছেন, পৃথিবীকে আর করোনা পরবর্তী বিশ্ববলে বিশেষায়িত করা সম্ভব না, বরং করোনা তার ওমনিপ্রেজেন্ট বা সর্বত্র বিরাজমান অস্তিত্ব সহই পৃথিবীকে করোনা বিরাজমান বিশ্ববলে নির্ধারণ করবে। অবশ্য আপনি যদি কনস্পিরেসি থিওরির ভক্ত এবং আমার কিছু হবে নামার্কা ঘাড় ঝাঁকিয়ে সবকিছু ফেলে...

  • Ghost from the History! | Manosh Chowdhury

    One thing sub-continental post-colonial thinkers, especially Indians, emphasized in the global academic discourses is an awareness of colonialism. In doing so, the Indian think tank, sub-continental thinkers included, reduced the larger colonial fatalities and undermined the consequences where it mattered most: in Africa, the Americas, and the Oceania. Not surprisingly though, to one’s amusement, one could find India (again sub-continent included) as the most, if not only, successful outcome of what the colonizers propagated and claimed for as their ‘civilizing mission’. That the Indian thinkers in general, and postcolonial thinkers in particular, are leading in the universities in the Global North, especially in programs of humanities and social studies, portrays a perfect picture of this ‘civilization process’. Without a critical awareness of the knowledge production of the entire global...

  • I PROTEST AGAINST RACISM | Kalyani Rama

    “I cannot breathe” – that’s what George Floyd said when a white cop murdered him in Minneapolis. During this time where Coronavirus has forced us to change the way we live our lives, all of us can recognize the feeling of not being able to breathe - the whole world seems to be holding its breath. Yet, while quarantine has in some ways brought people closer together, it’s also exacerbated the discrepancies between advantaged and disadvantaged communities. The effects of Coronavirus force us to acknowledge the issues of racial disparity within our world. On May 25, 2020, the news proclaimed, “George Floyd, an African-American man, died in Powderhorn, a neighborhood south of downtown MinneapolisMinnesota. While Floyd was handcuffed and lying face down on...

Blog

  • চিকিৎসাশাস্ত্রের উপনিবেশায়ন আফ্রিকার জন্য নতুন কিছু নয়, মূল:কার্সটেন নকো | অনুবাদ : শুভম ঘোষ

    [অনুবাদকের মন্তব্য: করোনা দুনিয়াব্যাপী মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ার পর এর ভ্যক্সিন নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে বিবিধ কথা বলা হচ্ছে, আশা-নিরাশার দোলাচলে ভাসছে পুরো পৃথিবী। এমন পরিস্থিতিতে কোনো কোনো মহল থেকে কোভিড-১৯ এর ভ্যক্সিনের পরীক্ষামূলক ব্যবহারের জন্য আফ্রিকানদের শরীরকে গিনিপিগ বানানোর কথা বলা হয়। একজন ফরাসি ডাক্তার এমন একটা মন্তব্য করার তা নিয়ে বেশ বিতর্কের ঢেউ উঠে। কার্টেন নকো এই মন্তব্যকে বিচ্ছিন্ন কোন ঘটনা হিসাবে দেখছেন না, বরঞ্চ কয়েকশন বছরের উপনিবেশেরই উত্তরাধিকারী হিসাবে দেখছেন; পূর্বেও চিকিৎসার অজুহাতে বিভিন্ন সময় আফ্রিকানদের শরীরকে ব্যবহার করা হয়েছে। এর গভীরে রয়েছে উপনিবেশায়ন সৃষ্ট বর্ণবাদ ও বিমানবীকিকরণের গভীর প্রক্রিয়া। কার্সটেন নকো জিম্বাবুয়ের আইনজীবী এবং জনহিতৈষী কাজের সাথে জড়িত আছেন। মেডিকেল কলোনাইজেশন বা চিকিৎসাশাস্ত্রের উপনিবেশায়ন নিয়ে তার লেখাটা প্রকাশিত হয়েছে আল জাজিরায়, ৮ এপ্রিল ২০২০।] ...

  • Digital Security Act and the theocratic state-ocracy | Sohul Ahmed and Sarwar Tusher

    When the world is in deep trouble confronting Covid 19, in a ‘war’ against an invisible virus, the Bangladesh state and its government have been waging an unannounced war against its own citizens. This war is being executed in two forms. On the one hand, the lives of millions of people have been put at risk due to the self-destructive decisions and structural indecisiveness of the government. On the other hand, the basic civil and political rights of citizens who are criticizing such perilous decisions and pointing out the flaws of such policies are being forcibly taken away or denied by the government. Dissident and critical citizens have been abducted and gone ‘missing’ for days or months at a time; then the news of their arrest on non-bailable offences...

  • এনিমেল ফার্মের ‘ভূমিকা’ ও বাক স্বাধীনতার প্রসঙ্গ | সহুল আহমদ

    এনিমেল ফার্ম অরওয়েলের শৈল্পিক ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যকে একীভূত করার প্রথম সচেতন প্রয়াস; কথাটা আমার নয়, খোদ জর্জ অরওয়েলই বলেছেন। এই উপন্যাস লেখার চিন্তা তার মাথায় এসেছিল ১৯৩৭ সালের দিকে, এবং ৪৩ এর আগ পর্যন্ত এটা লিখতে পারেন নি। এই সময়ের অন্যতম উল্লেখযোগ্য ঘটনা হচ্ছে, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে হিটলারের বাহিনীকে পরাস্ত করতে ব্রিটিশ শক্তি ও সোভিয়েত শক্তি হাতে হাত মিলিয়ে একত্রে লড়াইয়ে যোগ দিয়েছিল। ব্রিটিশদের সাথে সোভিয়েতের এই ক্ষণিকের ‘প্রেম’ অরওয়েলের এই ‘সচেতন প্রয়াস’ প্রকাশে নানারূপী বাঁধা হাজির করেছিল। এনিমেল ফার্ম প্রকাশে তাকে যে ঝুট-ঝামেলা পোহাতে হয়েছিল এবং এমন ঝুটঝামেলা আসলে কোন প্রবণতাকে স্পষ্ট করে তার এক প্রস্থ বিবরণ তিনি বইয়ের ‘ভূমিকা’য় উল্লেখ করেছিলেন। কিন্তু, দুঃখজনকভাবে এই ভূমিকা ছাড়াই এনিমেল ফার্ম প্রকাশিত হয় ১৯৪৫ সালে, এবং ১৯৭১ এর আগ পর্যন্ত এই ভূমিকার হদিস পাওয়া যায় নি। একাত্তরে মূল পাণ্ডুলিপির সাথে ‘দি...

  • নিরামিষ-যাপনের বিপরীতে আনন্দিত অন্ধকার | রোখসানা চৌধুরী

    'আমিষ' শিরোনামের অহমিয়া একটি সিনেমাকে কেন্দ্র করে কিছুদিন যাবৎ তুমুল আলোচনা চলছে।তা চলতেই পারে।কথা হলো,আমি সিনেমার গল্পটির সারসংক্ষেপ শোনার পর ছবিটি দেখার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছিলাম।ক্যানিবল বা নরখাদক শুধু গল্পে না, বাস্তবেও এর নমুনা মিলেছে একাধিকবার।বিদেশি ছবিতে বিষয়টি উপস্থাপিত হয়েছে বহুবার।

    অতি সাম্প্রতিক কালেই, প্ল্যাটফর্ম(ফেব্রুয়ারি,২০২০)নামের একটি স্প্যানিশ সিনেমার নাম উল্লেখ করা যায়,ক্যানিবলিজমকে কেন্দ্র করে নির্মিত যে ছবিটি দর্শকের মনোযোগ ধরে রেখেছে।

     কিন্তু 'আমিষ' শীর্ষক ছবিটিতে যে প্রেক্ষাপট ব্যবহার করা হয়েছে এবং যেভাবে -- তা দর্শকের মনে-মগজে-মননে বহুবিধ প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

    ছবি দেখার পর আমার নিজের  প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া ছিল অত্যন্ত স্বাভাবিক,'সহজাত সংস্কার' প্রসূত।মোট কথা,ছবি শেষ হওয়া পর্যন্ত আমার কাছেও পুরো বিষয়টি দুর্বোধ্য আর অস্পষ্ট ছিল।তারপর ধীরে ধীরে এই ছবির প্রাঞ্জল মেটাফোরিক রূপটি আমার চোখে স্পষ্ট হতে থাকে। রিভিউটি লেখার উদ্দেশ্য আমার এই ব্যক্তিগত ব্যাখ্যাটুকু তুলে ধরা।

  • নিগ্রহের মহামারি বাংলাদেশে, মূল: আলী  রীয়াজ | অনুবাদ : তানভীর আকন্দ

    অনুবাদকের ভূমিকা : করোনা মহামারি রোধে যেখানে সুপরিকল্পিত স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও তথ্যের অবাধ সরবরাহ অতি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে সারা দুনিয়াব্যাপী, সেখানে আমাদের দেশে গণমাধ্যম ও বাকস্বাধীনতার শোচনীয় অবস্থা লক্ষ করা যাচ্ছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নামক এক দানবীয় আইনের প্রয়োগে সরকার একের পর এক ধরপাকড় ও হয়রানির মাধ্যমে যে ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি করে রেখেছে, তাতে করোনা আতঙ্কের চেয়েও আরও বড় আতঙ্ক হয়ে উঠেছে এটা। সরকারের লাগামহীন দুর্নীতি, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা ঢাকতে একরকম ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে মিডিয়া সেন্সরশিপ ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকে। গুজব প্রতিরোধের নামে একে একে ডাক্তার, সাংবাদিক, নার্স, শিক্ষক থেকে শুরু করে সরকারের সমালোচনা করা যেকোনো ব্যক্তিকেই কব্জা করার নিত্ত নতুন ফন্দি তৈরি করছে সরকার। বিগত কয়েক মাসের ঘটনাপ্রবাহের দিকে খেয়াল করলে অতি সহজেই বুঝা যায় দেশের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে চূড়ান্ত অবনতির দিকে ঠেলে দিয়ে কী ভয়াবহ এক স্বৈরাতান্ত্রিক...

  • ‘একজন কমলালেবু’র একটি অগতানুগতিক পাঠপ্রতিক্রিয়া | মাহবুবুল আলম চৌধুরী

    “একবার যখন দেহ থেকে বার হয়ে যাব

    আবার কি ফিরে আসবো না আমি পৃথিবীতে?

    আবার যেন ফিরে আসি

    কোনো এক শীতের রাতে

    একটা হিম কমলালেবুর করুণ মাংস নিয়ে

    কোনো এক পরিচিত মুমূর্ষুর বিছানার কিনারে।“

      এই কবিতার জন্য যখনই কোন মুমূর্ষুর বিছানার কিনারে দাঁড়াই শুধু মনে হয় লোকটা কি এবার কমলালেবু হয়ে যাবে?  অনেকেই পৃথিবীর রাত-নক্ষত্র ছেড়ে গেছেন, বিছানার কিনার থেকে পড়ে গেছেন কিন্তু কোন চেহারাই যেন হিম কমলালেবুর দিকে তাকিয়ে আমি বোধ করিনি ফিরেছেন। সাড়ে পঁয়ষট্টি বছর উধাও হয়েও আমি একজনকেই ভেবে, বোধে দেখেছি ফিরেছেন বহুবার। ট্রাম উনার দিকে এগিয়ে আসছে নাকি উনিই গেলেন! রক্তে সিঞ্জিত হয়ে পড়ে রইলেন হাসপাতালের লোহার স্ট্রেচারে “প্রহেলিকাময় কবি”। অক্টোবরে তো শীত পড়েই। সকল বিশুদ্ধ ব্যর্থতা,  গ্লানি , অপমান, বিরল বিষন্নতা ফেলে রেখে, বোধহয় দাশখত ছিঁড়ে গেছেন ।...

Statement

  • Clamping down on dissidents will not stem the tide of coronavirus deaths

    The Covid-19 pandemic, currently sweeping across the globe and claiming thousands of lives every day, has laid bare the remarkable ineptitude of authoritarian leaders worldwide in resolving the humanitarian crisis that it has engendered. Demagogues today spend more time in flouting social distancing regulations and in clamping down on their critics than in stemming the spread of the virus. At the same time, they refuse to show leniency to their staunched critics—many of whom are already languishing in prison. On the contrary, from Bangladesh to Venezuela, now that dissenting voices have swelled, more and more people are finding themselves...

  • It can’t be the job of any civilized government to suppress freedom of expression.

    Freedom of expression has never really existed in Bangladesh. Governments as well as religiously, politically, and economically powerful forces have always attacked any opinions and criticisms that conflict with their views and interests. In recent years, a self-destructive attempt to destroy all democratic values and culture has been made by the Bangladesh government. Looting is being carried out in the name of development projects by the state and ruling party. At present, Bangladesh is facing a terrible coronavirus crisis, and this crisis has been made worse by willful acts of the government. Ignoring the advice and warnings of civil...

  • Concern for Soheil Arabi, imprisoned for blasphemy in Iran

    We express our concern and support of Soheil Arabi, an Iranian atheist, activist, and blogger who has been in prison for blasphemy charges since 2013.   Arabi was arrested in December 2013 and sentenced to death for blasphemy by insulting the prophet, Khamenei, and other Iranian officials in a Facebook post. In 2015, after an appeal, his sentence was reduced to several years in prison. While in prison, he has continued to write letters describing the inhumane prison conditions, torture, and the situation of political prisoners in Iran. For writing about prison conditions and his critique of the Islamic regime in Iran, three additional years have...

  • Harassment and Arrest of Bauls in Bangladesh Threatens Tradition

    We are deeply disturbed about recent attacks against the Sufi and Baul community in Bangladesh. Not only do these attacks violate freedom of speech, they also violate freedom of religion. Bauls and Sufis in Bangladesh represent diverse communities, with many Bauls rooted in Islamic traditions of Sufism -- the mystical branch of Islam that spread Islam into the region centuries ago. Other Bauls draw on Hindu Vaishnava texts and imagery. Bauls and Sufis have a very long and rich tradition of engaging in religious debate and knowledge production during musical performances such as Pala-gaan. Being successful in these debates...

Review

  • আলতাফ পারভেজের বয়ানে আলথুসের ও মার্ক্সীয় রাষ্ট্রতত্ত্বের ঐতিহ্যে ‘ভাবাদর্শ’ | সহুল আহমদ

    ‘(যে রাষ্ট্রকে সমাজের ওপর চাপিয়ে দেয়া হয়েছে সেই) রাষ্ট্রকে সমাজের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসাই হলো মুক্তি’ -কার্ল মার্ক্স   বাংলাদেশ নামক এই ভূখণ্ডের জনগণ হিসেবে আমরা অতি অল্প সময়ের ব্যবধানে দুটো রাষ্ট্রের জন্ম-প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত হলেও আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক জগত ও পরিমণ্ডলে রাষ্ট্রনৈতিক চিন্তাভাবনার অনুপস্থিতি লক্ষণীয়। এমনকি, রাষ্ট্রনৈতিক যে হাজার রকমে চিন্তাভাবনা দুনিয়াজুড়ে চালু রয়েছে সেগুলো সম্পর্কেও আমাদের অদ্ভুত অনীহা রয়েছে। (হয়তোবা এর কোনো ঐতিহাসিক-রাজনৈতিক কারণ থাকতে পারে, ইতিহাসের মধ্যে সেটার সন্ধান করাও জরুরি।) এই জন্যই বোধহয় এখনকার বুদ্ধিবৃত্তিক পরিমণ্ডলে দেশ, রাষ্ট্র, সরকার ধারণাগুলো মিলেমিশে একাকার হয়ে গিয়েছে; ব্যতিক্রম তো অবশ্যই আছে। বাংলাদেশের বামপন্থী ও ডানপন্থী রাজনীতির সাথে যারা জড়িত তাদের কাছে মার্ক্স-লেনিন (স্বাভাবিকভাবেই) খুব পরিচিত ব্যক্তিত্ব হলেও, তাদের রাষ্ট্র-দর্শন নিয়ে এখানে খুব একটা উচ্চবাচ্য করতে দেখা যায় না, অর্থাৎ, হালকা ওপর ঝাপসা (একেবারে মৌলিক) কিছু আলোচনা ছাড়া গভীরভাবে পর্যালোচনা করে দেখার কোনো তাগিদও...

Translate »