22 JULY; সিনেমা যখন সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে মানবিক দলিল এবং ইতিহাসের অংশ

২০১১ সালের ২২শে জুলাই শুক্রবার হোলে কমিউনের (Hole Kommune) উতয়া (Utøya) দ্বীপে যে সন্ত্রাসী হামলা সংঘটিত হয়  তা শান্তিপ্রিয় শান্ত ও নিরীহ নরওয়ের হৃদয়ে এক গভীর ক্ষত হিসাবে চিরকাল থেকে যাবে। নরওয়েতে সেদিন দুটি সন্ত্রাসী ঘটনা সংঘঠিত হয়েছিল। প্রথমটি  রাজধানী অসলোতে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে বোমা ভর্তি একটি ভ্যান বিস্ফোরিত হয় আর দ্বিতীয়টি ছিল উতয়া ট্রাজেডি, যেখানে ৬৯ জন তরুণ একজন শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদি সন্ত্রাসীর হাতে নির্মম ভাবে  খুন হয়। এই দু’টি সন্ত্রাসী ঘটনার ওপর নরওয়েজিয়ান সাংবাদিক এবং ফ্রিল্যান্স লেখক   Åsne Seierstad এর লেখা বই One of us: The story of a Massacre in Norway and its Aftermath এর উপর ভিত্তি করে ২০১৮ সালে নেটফ্লিক্স 22 July  নামে একটি সিনেমা প্রযোজনা করে। ২০১৮ সালের ৫ সেপ্টেম্বর সিনেমাটি প্রথম ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভালে দেখানো হয় এবং সেবছরই ১০ অক্টোবর আমেরিকায় রিলিজ করা হয়। (উল্লেখ্য যে, Utøya 22 July নামে আরও একটি সিনেমা আছে। এ ছাড়া বেশ কিছু ডকুমেন্টারি রয়েছে উতয়া ট্রাজেডি নিয়ে।)

বিখ্যাত ইংরেজ চিত্রনাট্যকার এবং চলচ্চিত্র পরিচালক পল গ্রীনগ্রাস (Paul Greengrass) One of us: The story of a Massacre in Norway and its Aftermath বইটিকে  22 July  নামে  বাস্তবসম্মত একটি সার্থক চলচ্চিত্রে রূপান্তর করেন। পল গ্রীনগ্রাস এর সিনেমার ধরণটাই এমন যে, তিনি সত্য ঘটনাগুলোকে চিত্রনাট্যে এবং চলচ্চিত্রে খুঁটিনাটিসহ হৃদয়স্পর্ষী করে ফুটিয়ে তুলতে পারেন। তার বিখ্যাত কয়েকটি মুভি হলো Bloody Sunday , Captain Phillips, ও News of the World.

২০১১ সালের ২২ জুলাই নরওয়ের রাজধানী  অসলোর অনতিদূরে উতয়া দ্বীপে তৎকালীন ক্ষমতাশীল দল আরবাইদ বা লেবার পার্টির (Arbeiderpartiet)  যুব সংগঠন AUF (Arbeidernes ungdomsfylking) এর একটি  সামার ক্যাম্পে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদি এবং বর্ণবাদি আন্দ্রেস বেহরিং ব্রেইভিক (Anders Behring Breivik) একটি পরিকল্পিত সন্ত্রাসী হামলা চালায়। এই হামলার আগে বা সিনেমার শুরুতে দেখানো হয় ব্রেইভিক পুলিশের ড্রেস পরে বাসায় বানানো এক্সপ্লোসিভ দিয়ে একটি কাভার্ড ভ্যান বোঝাই করে তা ড্রাইভ করে নিয়ে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সামনে রেখে চলে যায়। কিছুক্ষণ পর এটির বিস্ফোরণ ঘটে। অসলোর এই বিস্ফোরণে ৮ জন সাধারণ মানুষ মারা যায়। কাভার্ড ভ্যান বিস্ফোরণের পর পুলিশ থেকে শুরু করে সারা বিশ্বের চোখ যখন সেন্ট্রাল অসলোতে তখন ব্রেইভিক পূর্ব পরিকল্পনা মাফিক উতয়ার দিকে মুভ করে।

সিনেমার গল্পটা এগোয় এভাবে, রাজধানী অসলো থেকে মাত্র ২৫ কিলোমিটার দূরের দ্বীপ উতয়ায় অসলো বিস্ফোরণের খবর পৌঁছে যায়। ভিলয়ার হানসেন (Viljar Hanssen) আর তোরিয়া হানসেন (Torje Hanssen) নামের দুই ভাই ওদের মা বাবার জন্য উদ্বিগ্ন হয়, কেননা ওদের মা বাবা আরবাইদ পার্টি বা লেবার পার্টির সদস্য।সেদিন তাদের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে থাকার কথা। ভিলয়ার আর তোরিয়া বাবা মায়ের সাথে ফোনে কথা বলে নিশ্চিত হয় যে  তারা নিরাপদে আছে।

এদিকে ব্রেইভিক ফেরিঘাটে দায়িত্বরত পুলিশকে হত্যা করে উতয়া দ্বীপে এসে উঠলে পুলিশের ড্রেসে ব্রেইভিককে দেখে ক্যাম্পে অংশগ্রহনকারীরা গা করে না। ব্রেইভিক সবাইকে এক জায়গায় জড়ো হতে বলে, তারপর অত্যাধুনিক অস্ত্র দিয়ে আচমকা নির্বিচারে গুলি করা শুরু করে। এক দল উচ্ছ্বল কিশোর-তরুণ  মুহূর্তে বিভ্রান্ত হয়ে যায়, নিজেদের বাঁচানোর তাগিদে ওরা এলোমেলো ছুটতে থাকে, প্রাণ ভয়ে  ছুটে পালায় জঙ্গলে। কিন্তু ব্রেইভিক খুবই ঠাণ্ডা মাথায় প্রাণ ভয়ে ছুটতে থাকাদের পেছন থেকে গুলি করে করে খুন করে। ভিলয়ার আর ওর চৌদ্দ বছর বয়সী ছোট ভাই তোরিয়া প্রাণ ভয়ে কোস্ট সাইডে পালিয়ে যায় আরও অনেকের সাথে। ব্রেইভিক তাড়া করে সেদিকে গেলেও ভিলয়ারের চেষ্টায় তোরিয়া অক্ষত বেঁচে যায় কিন্তু  ব্রেইভিকের পাঁচটি গুলিতে ভয়ানক রকম আহত হয়ে হ্রদের তীরে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে পড়ে থাকে ভিলয়ার। দ্বীপের এই সন্ত্রাসী দৃশ্যগুলো সাংঘাতিকরকম শ্বাসরুদ্ধকর যেমন ছিল তেমনি ছিল আতংকিত আর স্তব্ধ হয়ে ওঠার মতোন। সিনেমার এই দৃশ্যগুলো দেখতে দেখতে দর্শকরা অনুভব করবেন, kill Bill এর মতোন কোনো কল্পিত সিনেমার  রক্তাক্ত চিত্রায়ণ দেখছেন না,  এটি বাস্তব একটি সন্ত্রাসী ঘটনার চিত্রায়ণ, এক দল নিরীহ কিশোর-তরুণদের সঙ্গে এমনটাই ঘটেছিল। একজন মানুষ কতটা নৃশংস এবং কমিটেড হলে পরে এক দল সদ্য তরুণদের তাড়িয়ে তাড়িয়ে নিয়ে এভাবে নির্বিচারে হত্যা করতে পারে, সেটা ভাবতে পারার অবকাশও অবশিষ্ট থাকে না!

ভিলয়ারের ফোনকল থেকে ওর মা বাবা প্রথম উতয়া দ্বীপ আক্রান্ত হওয়ার খবর জানতে পারে। যখন উদ্ধারকারী দল দ্বীপে পৌঁছায় ততক্ষণে ৬৯ জন কিশোর-তরুণের জীবন শেষ হয়ে গেছে। অন্যদিকে ব্রেইভিক চতুরতার সাথে অস্ত্র ফেলে দিয়ে আত্মসর্ম্পন করে। সে নিজের গায়ে যেন কোনো আঘাত না লাগে সে বিষয়ে যথেস্ট সচেতন এবং সতর্ক ছিল।

বন্দী হওয়ার পর ব্রেইভিক নিজেকে “Knights Templar”  নামে একটি “White Nationalist” গ্রুপের নেতা হিসাবে দাবী করে। কিন্তু সেই দলের সদস্যরা ব্রেইভিকের দাবিকে অস্বীকার করে এবং তার কাজকে ঘৃন্য কাজ হিসাবে আখ্যায়িত করে। ব্রেইভিক নিজের আইনি সহায়তার জন্য আইনজীবী গেইর লিপেস্টাড (Geir Lippestad) কে নিযুক্ত করার ইচ্ছা প্রকাশ করে। উল্লেখ্য যে,  এই আইনজীবী ছিলেন একজন দক্ষ পেশাদার আইনজীবি। যিনি নিজের মতের সাথে মিল না থাকার পরও একজন নব্য-নাজিকে আইনি সহায়তা দিয়ে রক্ষা করেছিলেন। গেইর একজন আইনজীবী হিসাবে, নিজের পেশাগত নীতি এবং কর্তব্যবোধ থেকে  ব্রেইভিককের পক্ষে রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী হিসাবে আইনি সহযোগিতা করতে সম্মত হন এবং তিনি তার মক্কেলকে প্যারানয়েড সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত দেখিয়ে সর্বোচ্চ সাজা থেকে রক্ষা করার পরিকল্পনা করেন। কিন্তু ব্রেইভিক তার নিজের কাজের বৈধতার স্বীকৃতি দাবি করে। ব্রেইভিকের ধারণা অনুযায়ি মুসলিম শরনার্থিরা ইউরোপে শ্বেতাঙ্গদের শ্রেষ্টত্ব ক্ষুন্ন করছে। তাছাড়া নারীবাদকে সে কালচারাল সুইসাইড হিসাবে আখ্যায়িত করেছিল। এইসব মনোবিকারজনিত প্রতিক্রিয়ায় সে নিজেকে একজন রক্ষাকর্তা হিসাবে ভাবতে শুরু করে। এবং ধ্বংসযজ্ঞ ও হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে তার চিন্তার পক্ষে একাধারে সতর্কবার্তা ও উদ্বুদ্ধকরণ করতে উদ্যোগি হয়।  অবশ্য ব্রেইভিক পরে আদালতে  স্বীকারোক্তি দিয়েছিল, তার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটানো ঠিক হয়নি কিন্তু সে ভাবতো; জনগণের স্বার্থেই ঘটনাগুলো ঘটিয়েছিল। ব্রেইভিকের আইনজীবী গেইর চরিত্রটি নি:সন্দেহে সিনেমার একটি সেরা চরিত্র, যিনি ব্যক্তিস্বত্তার  উর্দ্ধে উঠে পেশাগত নিষ্ঠা এবং সততার প্রতি চরম দায়বদ্ধতার পরাকাষ্টা দেখিয়েছেন। আদালতের আইনি প্রক্রিয়ার শেষে রায় ঘোষণার পরে আইনজীবী গেইর ব্রেইভিককে তার কাগজপত্র বুঝিয়ে দিতে গেলে  ব্রেইভিক আইনজীবির সাথে পরবর্তীতে একান্ত সাক্ষাতের জন্য অনুরোধ করে। কিন্তু গেইর এটি করতে অস্বীকৃতি জানান। এসময় ব্রেইভিক বলে, ওর শুরু করা কাজ অন্য কেউ হয়ত শেষ করবে।  তখন Geir কন্ঠে দর্শকরা শুনতে পায়, “ And we will beat you. My chidren, their children. They will beat you.”

এদিকে সন্ত্রাসী ব্রেইভিকের বিস্ফোরক দ্রব্য সংগ্রহ, সন্ত্রাস ঠেকাতে সরকারের ব্যর্থতা, সন্ত্রাসীকে সুরক্ষা, আইনি সহায়তা দেবার জন্য তৎকালীন জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী ইয়েন্স স্টুলতেনবার্গ (Jens Stoltenberg) কে জনগনের ক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। জনপ্রিয়তা থাকা সত্বেও তার পদত্যাগ দাবী করা হয়। তিনি পদত্যাগ করতে প্রস্তুত থাকলেও  শেষ পর্যন্ত অবশ্য তাকে পদত্যাগ করতে হয়নি।

২২ জুলাই সিনেমার একটি মূল চরিত্র হিসাবে ভিলয়ারকে  (Viljar Hanssen) দেখা যায়। সিনেমায় ভিলয়ারের চরিত্র সম্পর্কে বাস্তবের ভিলয়ারের বক্তব্য হলো, “Through me they are telling the story of all the people who were on Utoya.” সামার ক্যাম্পে ব্রেইভিকের করা পাঁচটি গুলি ভিলয়ারের হাত, পা এবং মাথায় আঘাত করলে সে কোমায় চলে যায়। দীর্ঘ দিন হাসপাতালে কাটিয়ে সে বাড়ী ফিরে আসে মা বাবার কাছে, নতুন করে আবার হাঁটতে শিখে, খেতে শিখে,  কিন্তু স্বাভাবিক জীবনের দৈনন্দিন চলাফেরায় সে আর ফিরতে পারে না। কেননা ভিলয়ারের বাঁ হাত প্রায় অকেজো, একটি চোখ অন্ধ হয়ে গেছে, সে আদালতকে জানায়; এটি তার রিলিফ, “A relief…in a way that…At least now I don’t have to look at him.” তার মাথায় ব্রেইভিকের বুলেটের একটি টুকরো রয়ে গেছে যা যে কোন মুহূর্তে তার মৃত্যুর কারণ হয়ে উঠতে পারে। ব্রেইভিক তার দুই বন্ধুকে গুলি করে হত্যা করেছে, উতয়ার ভয়াবহ দু:সহ স্মৃতি তাকে ক্রমাগত তাড়া করে। তার মা, বাবা, ওর সাথে সামার ক্যাম্পে থাকা ভাই তেরিয়ার  জীবন আর আগের মতো সহজ স্বাভাবিক থাকে না। ব্রেইভিক ভিলয়ারের জন্য একটি ট্রমা,  তারপরও সে সিদ্ধান্ত নেয় আদালতে ব্রেইভিকের মুখোমুখি হবে, বন্ধুদের হত্যার বিচারের জন্য তার বিরুদ্ধে সাক্ষী দেবে। আদালতে দেয়া ভিলয়ারের সাক্ষ্য হৃদয় ছোঁয়া করে সিনেমায় ফুটিয়ে তুলে দর্শকদের হৃদয়ও ভারাক্রান্ত করে তুলতে পেরেছেন পরিচালক এবং অভিনেতারা। সিনেমাটির প্রথম অংশে ছিল এ্যাকশন , যা সন্ত্রাসের নৃশংসতা ফুটিয়ে তুলেছিল, মাঝের অংশে ছিল চরিত্রগুলোর  টানাপোড়েন, এবং আদালত ও বিচার প্রক্রিয়া অংশ ছিল বাস্তবিকই মর্মস্পর্শী ও হৃদয়বিদারক। উতয়ার ভুক্তভোগী এবং তাদের সমব্যথীদের আর্তনাদ প্রতিধ্বনিত হয়ে উঠেছিল আদালতে ভিলয়ারের বয়ানের দৃশ্যায়নে।

বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত ব্রেইভিককে  ২১ বছরের প্রিভেন্টিভ ডিটেনসন সাজা দেয়। উল্লেখ্য যে নরওয়েতে ‘মৃত্যুদণ্ড’ সাজা নাই। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ি ব্রেইভিকের অপরাধ প্রবনতার ধরন এমন যে, মুক্ত থাকলে সে পুনরায় এ ধরনের অপরাধ সংঘটনের উদ্যেগ নিতে পারে। অভিজ্ঞ মহলের ধারনা, ২১ বছর পর ব্রেইভিকের সাজার মেয়াদ পুনরায় বাড়ানো হতে পারে। প্রিভেন্টিভ ডিটেনশন সাজার ধারাতেই এরকম সাজা বাড়ানোর উল্লেখ আছে। অবশ্য নরওয়ের কারাগারে ব্রেইভিক নিজের ইচ্ছায় বাইরে ঘুরে বেড়ানো ও ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ ছাড়া আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সন্বলিত জীবন যাপনের সুযোগ পাচ্ছে।

22 July’র গল্পটি কোনও ফিকশন নয়, একটি নির্মম বাস্তবতা। পরিচালনার মুন্সিয়ানা এবং অভিনয় দক্ষতায় বাস্তব কাহিনী জান্তব হয়ে দর্শকদের চোখে ধরা দেয় সিনে রিলে। 22 July সম্পর্কে পরিচালক পল গ্রীনগ্রাস বলেন, You have to explore how Breivik was defeated. He was given due process, he was defeated in a court of law, he was faced down by young people-that the story.  সিনেমায় মূল চরিত্রগুলোতে যারা অভিনয় করেছে তারা ছিল নরওয়েজিয়ান। সিনেমার ভাষা ইংরেজি, কিন্তু অভিনেতা অভিনেত্রীদের নরওয়েজিয়ান একসেন্ট চরিত্রগুলোকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে। আইনজীবী Geir Lippestad চরিত্রে Jon Øigarden বা সন্ত্রাসী Anders Behring Breibik এর ভূমিকায় Anders Danielsen Lie  আর তরুণ Viljar Hanssenচরিত্রে  Jonas Strand Gravli’র  অভিনয় ছিল অনবদ্য ও অসাধারণ।

22 Julyতে এ্যাকশন সিনেমার মতো রক্তাক্ত এ্যাকশন রয়েছে, তারপরও সিনেমটি নির্মম সন্ত্রাসী আক্রমনের বাস্তব ঘটনার উপর ভিত্তি করে বানানো বলে হয়ত দর্শক মেরুদণ্ডে আতংকের হিম শীতলতা অনুভব করে কেঁপে উঠে, রিয়েলিস্টিক ফিকসন থেকেও ভারী আর কঠিন হয়ে ওঠে কখনও কখনও। একটি সিনেমা এভাবেই হয়ে উঠে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে মানবিক দলিল এবং ইতিহাসের অংশ।

More Posts From this Author:

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

শুদ্ধস্বর
Translate »
error: Content is protected !!
Scroll to Top