পহেলা বৈশাখ

নিতান্তই বালিকার মত মেঘের নেকাব

  ক্রন্দনঘর মেঘের ভেতর ঘুমিয়ে ছিলাম মনে আছে তোমরা ছিলে হয়তো ছিলে কেউ জানো না পায়ের পাতায় তীব্র নেশা বাইরে যাবার অন্ধকারে উঠতো যে চাঁদ নীরব ঘরে তৃপ্ত মায়ায় কেউ কি মানো কেউ মানো না কেমন ক’রে অষ্টপ্রহর আসতো খাবার মদের মত এমনি ক’রে ঘুমিয়ে ছিলাম সুস্থ জ্বরে মেঘের ভেতর তুলতুলে এক মোমের দেয়াল বন্ধু …

নিতান্তই বালিকার মত মেঘের নেকাব Read More »

মৈত্রীভাবনা ছুঁড়ে, রক্তাক্ত অভিজ্ঞতার দিকে

  একা ম্যাজিশিয়ান তামাম দুনিয়া হাতে ঘুরপাক করে পিংপং একা ম্যাজিশিয়ান কৈকুড়ির শেষ বেলার লোকে নিখিল পথের পাশে সরিষা বাগান, সবুজ পালং অপত্য পাগলামী, আমাদের নিজস্ব কথার প্রণালী ক্ষান্তিহীন ছুটে যায় সে হেঁটে হেঁটে গার্হস্থ্য রং-সব অনুগত পিছে পিছে শত পিছুটান যেন তাঁবু বাঁধা রশি টানটান এত বাতাশ তাতে জলাধার করে আহ্বান উন্মাতাল ঢেউয়ের বুকে …

মৈত্রীভাবনা ছুঁড়ে, রক্তাক্ত অভিজ্ঞতার দিকে Read More »

ইতিহাস কি আত্মহত্যা ও আত্মপ্রত্যয়ের স্যাঁতসেঁতে টার্মিনাল

  নরওয়েজিয়ান উড বিটলসের নরওয়েজিয়ান উড না হারুকি মুরাকামির নরওয়েজিয়ান উড কাকে বেশি অনুভব করছি এখন এ-প্রশ্ন নিজেকেই করি আমি হ্যাঁ এ-দুটোর কম্পোজিশানে ভিন্নতা সত্ত্বেও আমাদের নার্ভের ওপর এদের ইম্প্রেশান ফ্লো প্রায় একই আশা করি এ-ব্যাপারে আমার সঙ্গে একমত হতে আপনারা দ্বিধা করবেন না আমি কেবল একটা মিল আপনাদের দেখাব মানে আমার জন্য তো এটা …

ইতিহাস কি আত্মহত্যা ও আত্মপ্রত্যয়ের স্যাঁতসেঁতে টার্মিনাল Read More »

যেন আলো থেকে সরে নুয়ে ঝরে পড়তে চায় সূর্যমুখী

  গল্পের আদলে ১ কোনো কোনো স্বপ্ন থেকে আমরা উঠে দাঁড়াতে পারি না। পাশের রুমের আলো এসে পড়ছে জানলার হলুদ পর্দায়, তার প্রতিফলন তোমার মুখে। এমন হলদে আলোছায়ায় তুমি হেঁটে বেড়াও লাল মার্বেল মেঝেতে। তোমার মুখ বদলে যায় পুরনো প্রেমের আদলে। দেয়ালের গায়ে অযত্নে বেড়ে উঠা ফুলের ঝাড়ের কাছে আঠারো বছর ফিরে আসতে চায়৷ তুমি …

যেন আলো থেকে সরে নুয়ে ঝরে পড়তে চায় সূর্যমুখী Read More »

কিনব্রিজে বিকেলের রোদ

  ক্রীতদাসের হাসি এখন গোলাপের মৌসুম চারদিকে এত এত গোলাপ তবু সুগন্ধ কই? জৌলুস আর অট্টালিকায় ঢাকা হৃদয়ের ভার গোলাপ ফুটেছে—এত এত গোলাপ তবু হাসি নাই বুদবুদে মিলিয়ে গেছে বুকের পারদ…   স্বৈরাচার মানুষ মরে গেলে জমা থাকে খোলস চমৎকার হৃদয়শূন্য এক স্বৈরাচার   তবু সমর্পিত হয়তো থেমে যাওয়া মৃত্যুই, তবু থামতে হয় রঙিন তারাবাতি …

কিনব্রিজে বিকেলের রোদ Read More »

আমিও ইচ্ছেমতো জ্বালাই নেভাই তার চোখ

  কে কাঁদে, কে গো কলকাকলিত দ্বিধামুকুলিত একটি বায়স। কঁকিয়ে উঠল কাক। কাশফুলে রক্তের ছিটে। টুপিয়ে টুপিয়ে নামে লোহিতের জল। ডাস্টবিনে ডাস্টবিনে এসেছে নতুন কুঁড়ি। ফুটে উঠছে ক্রান্তির ফুল। ওই ফুলে শরীর সাজাও সখী, এ-শরীর পণ্যবাজার, ঝিলিমিলি আলো। নখরা লেখার আগে মেতে ওঠো নাথনি ভাঙায়। পোড়োবাড়ির ভেতর ফিসফিস করছে চাঙড়, পুরোনো ইটের দল মেতে ওঠে …

আমিও ইচ্ছেমতো জ্বালাই নেভাই তার চোখ Read More »

আস্তিনে বিষণ্ণতা রেখে যেন সমুদ্রকে ডাক দেয়া

  সেতু ও ফোরলেন হাইওয়ে ১.১ উদ্যানে শস্যভিটায় আদম-হৃদয় পূণ্যভরা পুষ্প কী লাল : তারপর ও পাখিটি… ও পাখিটি! যেদিন সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম প্রজনন-বীজ কুড়োতে যাই… তারপর ওফ : কী দুর্ভিক্ষদাহ, অকল্পনীয় শস্যপতন… পঙ্গু হে! তুমি কি কোনো পাতা কুড়োচ্ছ?  তুমি কী মেঘ-সাদায় নিষিক্ত ছিলে কোনোদিন? উদ্যানে ঝরাপাতা, উদ্যানে সে অদ্ভুত সাংকেতিক মেঘ-সাদা : আশ্চর্য! পাতা-শিরায় …

আস্তিনে বিষণ্ণতা রেখে যেন সমুদ্রকে ডাক দেয়া Read More »

ফুল ফোটানোর ছলে যে-কোনো উচ্চারণ তাঁহাকেই আলিঙ্গন

  গ্রহদোষে গ্রহগুণ সূর্য হলেন কমলযোনি। প্রধান পদ্ম। যদি চন্দনঘ্রাণ যুক্ত, তাহলে জীবন—আশা-আকাঙ্ক্ষা রঙিন দৃশ্যাবলি। যদি সূর্যের আকার পোড়ামাটির সেতার, তাহলে জাতক প্রকৃতির ক্যানভাস। যদি সূর্যের প্রতিবিম্ব ঈষৎ বাদামি, ডানার মতো উদার চোখের মণি তাহলে জাতক বিহঙ্গরাশির। সূর্যের রোদ্দুর যদি সবুজ কাচের যুবতীদুপুর, তাহলে হলদে প্রজাপতির ঢল, প্রতিটি মুহূর্ত  দৈবপ্রতিম অরুণাচল। রাহু আসলে একজন স্ফুলিঙ্গ। …

ফুল ফোটানোর ছলে যে-কোনো উচ্চারণ তাঁহাকেই আলিঙ্গন Read More »

শরণার্থী শিবিরের সর্বব্যাপী দুর্গন্ধের ভারে

  তেইশের অক্টোবরে গাজা সেই রাতে ভোরের আলোকরেখা লক্ষ্য ক’রে একান্তে ঘুমিয়ে ছিলো পরিশ্রান্ত প্রশান্ত মানুষ। তারাদীপ্ত রাত্রির বিজনে হঠাৎই গর্জন শোনা গেলো; যেন লক্ষ দানবের  ক্রুদ্ধকণ্ঠ যন্ত্রের নির্ঘোষ হয়ে দিগ্বিদিক আতঙ্কে কাঁপালো; মুহুর্মুহু বিরাট বীভৎস  শব্দে পুঞ্জ পুঞ্জ কৃষ্ণ ধোঁয়া অভ্রংলিহ পীতবর্ণ অনলে অনলে আর অসংখ্য নারীর নাড়ীছেঁড়া আর্তনাদে মূর্তি পেলো ধাতব পাণ্ডব আনৃশংস্য, …

শরণার্থী শিবিরের সর্বব্যাপী দুর্গন্ধের ভারে Read More »

শুদ্ধস্বর
error: Content is protected !!